• আজঃ শনিবার, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং
  • English
ব্রেকিং নিউজঃ

মামলা নেয়নি পুলিশ; অভিযোগ স্বজনদের

চরফ্যাসনের দুলারহাটে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীর গোপনাঙ্গে  নির্যাতনে স্ত্রীর মৃত্যু

ভোলার চরফ্যাশনের চরকলমীর আব্দুল বাছেদের মেয়ে সাছুন নাহার ( ১৯) কে বিয়ের ৮ মাস না যেতে নির্মম নির্যাতনে হত্যা করার অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। এমন কি দুই মাস আগে হত্যা করা হয় গর্ভে থাকা ৬ মাসের সন্তানকে। এমন দুই হত্যার বিচার দাবি করে শুক্রবার ভোলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন অসহায় মা খাদিজা বেগম ।

এ সময় পুলিশ কোন মামলা নেয় নি বলেও অভিযোগ করেন ওই পরিবারটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে জানান অষ্টাদর্শী সামছুন নাহারকে যৌতুকের টাকার জন্য স্বামী সাদ্দাম হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে ৪ জুলাই রাতে তাকে নির্যাতন করে হত্যা করে স্বামী সাদ্দাম হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যরা।

গত বছরের ১৪ অক্টোবর দেড় লাখ টাকা মোহরনায় পাশর্^বর্তী আহম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডেও ফজলু সর্দারের ছেলে সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় ১৮ বছর বয়সী সামছুন নাহারের।

বিয়েব কয়েক মাস না যেতে সাদ্দাম দুই লাখ টাকা যৌতুক দেয়ার জন্য চাপ দেয়। টাকা না দেয়ায় নির্মমভাবে মারধর ও অত্যাচার করে। এ বছরের ৩০ মে এমন নির্যাতনের খবর পেয়ে মা ও ভাই মোঃ নজরুল ইসলাম গিয়ে আহত সামছুন নাহারকে দ্রূত চরফ্যাশনে হাসপাতালে ভর্তি করান। ওই সময় হাসপাতালের ডাক্তার জানান গর্ভের বাচ্ছাটি মারা গেছে।

এ বিষয়টিও থানার ওসিকে অবহিত করা হয়। এর কয়েকদিন পরে সাদ্দামের পিতা কয়েকজনকে নিয়ে তাদের বাড়ি এসে বাচ্ছা মারা যাওয়ার ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে গৃহবধূ সামছুন নাহারকে তাদের বাড়ি নিয়ে যায়। এক মাস না যেতে ফের সাদ্দাম দুই লক্ষ টাকার জন্য সাছুন নাহারকে চাপ দেয়। সামছুন নাহারকে টাকার জন্য মাকে জানান। মা পরে গরু বিক্রি করে টাকা দিবে বলে জানান।

ওই রাতে ৪ জুলাই সাছুন নাহারের উপর ফের বেদম নির্যাতন করে ওরা এমনকি স্বামী সাদ্দাম স্ত্রী গোপনাঙ্গে নির্যাতনে তাকে হত্যা করেছে। পর দিন খবর পেয়ে সামসুন্নাহারের স্বজনরা আহাম্মদপুর সাদ্দামের বাড়ীতে গিয়ে ঘরের মেঝেতে রক্তের খন্ড খন্ড চিহ্ন দেখে এবং তারা থানায় গিয়ে লাশ দেখেন এবং লাশের শাড়ি ও পেটিকোটে রক্ত ও গায়ে নির্যাতনের চিহ্ন দেখেন।

কিন্তু দুলারহাট থানার ওসিকে বিষয়টি জানালে ওসি তাদের বেড় করে দেন কিন্তু কেন???

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে উপস্তিত ছিলেন, সামছুন নাহারের বোন নিলুফা বেগম, ভাই নজরুল ইসলাম, ফুফাত ভাই বেলাল হোসেন, চাচা আফজাল হোসেন। এলাকার ইউপি মেম্বার মোঃ মজিবুর রহমান ঘটনাটি দুঃখজনক ও তিনিও বিচার দাবি করেন।

এদিকে দুলারহাট থানার ওসি মোঃ ইকবাল হোসেন  জনতার্ সময় ডটকমকে জানান, মেয়েটি গলায় ফাস দিয়ে মারা গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।এব্যাপরে একটি অপমৃত্যু মামলা নেয়া হয়েছে  তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওই নারীর কোথাও আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় নি। পেটিকোর্টে রক্তের দাগ ছিল।

সু-প্রিয় পাঠক এই নিউজ ধারাবাহিক চলবে দেখতে চোখ রাখুন জনতার সময় ডটকমে।

 

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

August 2020
SSMTWTF
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031